তাওফিকুল হাসান তুরাব, ডিআইইউ প্রতিনিধি :
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ফার্মেসি বিভাগের অন্যতম সক্রিয় সংগঠন ‘ডিআইইউ ফার্মা ক্লাব’। জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৪ সেশনের এই ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মোঃ রুবেল রানা—একজন উদ্যমী তরুণ, যিনি দায়িত্বকালীন সময়ে ক্লাবের প্রায় প্রতিটি কার্যক্রমেই রেখেছেন বিশেষ অবদান।
তার নেতৃত্বে সফলভাবে সম্পন্ন হয় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন—চড়ুইভাতি প্রোগ্রাম, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন, ইফতার মাহফিল ও স্মরণীয় সেন্টমার্টিন ট্যুর। প্রতিটি আয়োজনেই তিনি ছিলেন পরিকল্পনার কেন্দ্রে, পরিশ্রম ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে।
রুবেল রানার নিষ্ঠা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ বিদায়ী অনুষ্ঠানে ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যানসহ সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকরা তার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান।
ক্রেস্ট গ্রহণের পর আবেগভরা কণ্ঠে রুবেল রানা বলেন,
❝আমি প্রথমেই আমার শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। শুরু থেকে শিক্ষকরা আমাদের পাশে থেকেছেন, সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাদের সহযোগিতা না পেলে হয়তো আমরা পথ হারিয়ে ফেলতাম।❞
নিজের জুনিয়র ও সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন,
❝একসাথে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় হয়তো একটু কড়া ভাষায় কথা বলেছি, কেউ মন খারাপ করো না। বিদায়ের এই মুহূর্তে আমি চাই, কেউ মনে ক্ষোভ রেখো না। তোমাদের হাত ধরেই ‘ডিআইইউ ফার্মা ক্লাব’ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।❞
তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছিল পারিবারিক বন্ধন, সহকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা আর শিক্ষক–শিক্ষার্থীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
রুবেল রানা বিদায়ের মুহূর্তে ক্লাবের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।
❝সবাই আমার জন্য দোয়া করবে, আর আমি প্রত্যাশা করি তোমরা সবাই আরও বড় জায়গায় পৌঁছাবে। এই ক্লাব একদিন দেশের অন্যতম সেরা সংগঠন হবে।❞
তার কথার ভেতরেই ছিল নেতৃত্বের গভীর বার্তা—কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের প্রতিচ্ছবি। রুবেল রানার এই বিদায় যেন শেষ নয়, বরং এক নতুন প্রেরণার সূচনা — যা ভবিষ্যতের প্রতিটি নেতৃত্বকে সাহস, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার পাঠ শিখিয়ে যাবে।