1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা: মাহদী আমিন বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী উচ্চশিক্ষার সংকট নিরসনে অংশীজন সংলাপ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছে ইউজিসি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল ২০ জুন, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী: উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন নোবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ৬ দফা দাবিতে জবি ক্যাম্পাসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কর্মসূচি জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিচ্ছে সরকার

কটকার ঢেউয়ে থেমে যাওয়া ১১ জীবন, স্মৃতিতে আজও জাগরুক খুবি

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

খুবি প্রতিনিধি

মো: ফাহাদ হোসেন সাজিদ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর অধ্যায়ের নাম কটকা ট্রাজেডি। ২০০৪ সালের ১৩ মার্চ সুন্দরবনের কটকা সমুদ্র সৈকতে ভাটার তীব্র স্রোতে তলিয়ে গিয়ে প্রাণ হারান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এর ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে প্রতি বছর ১৩ মার্চ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন করা হয়।

ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৯ জন শিক্ষার্থী তৌহিদুল এনাম (অপু), আব্দুল্লা হেল বাকী, মো. মাহমুদুর রহমান (রাসেল), কাজী মুয়ীদ ওয়ালি (কুশল), মো. আশরাফুজ্জামান (তোহা), আরনাজ রিফাত (রূপা), মাকসুমমুল আজিজ মোস্তানী (নিপুণ), মোহাম্মদ কাউছার আহমেদ খান ও মুনাদিল রায়হান বিন মাহবুব (শুভ) এবং বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের দুই শিক্ষার্থী শামসুল আরেফিন শাকিল ও সামিউল হাসান খান প্রাণ হারান।

তাদের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্মাণ করা হয়েছে কটকা স্মৃতিস্তম্ভ। একইসঙ্গে ১৩ মার্চকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১২ মার্চ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৭৮ জন শিক্ষার্থী ও তাদের ২০ জন অতিথি লঞ্চযোগে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। পরদিন সকালে তারা বাদামতলী এলাকায় পৌঁছান এবং পরে কটকা সমুদ্র সৈকতে যান। সেখানে সমুদ্রের পানিতে নামার পর হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী ভাটার তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে। অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও শেষ পর্যন্ত ১১ জনকে আর বাঁচানো যায়নি।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সঙ্গে স্মরণ করা হয়। এ বছরও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টায় কটকা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং সন্ধ্যায় এতিমদের সঙ্গে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...