বিশেষ প্রতিনিধি
ভোলার এক অসহায় ও দুস্থ বৃদ্ধার দুঃখ–কষ্টের খবর জানতে পেরে তার পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চরম কষ্ট ও অভাবের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন ওই বৃদ্ধা। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়া এই নারী জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নানান প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে দিন পার করছিলেন। ঠিক এমন সময় তার দুর্দশার কথা জানতে পারেন ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর সায়েন্স ও ইন্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রশিদুল হাসান।
বিষয়টি জানার পর তিনি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন।
পরবর্তীতে প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রশিদুল হাসানের পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধিরা বৃদ্ধার জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেন। এই সহায়তা পেয়ে বৃদ্ধা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সমাজের একজন সচেতন ও মানবিক মানুষ হিসেবে প্রফেসর ড. রশিদুল হাসান সবসময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তার এই উদ্যোগ শুধু একটি মানুষকে সহায়তা করাই নয়, বরং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক অনন্য উদাহরণ।
সমাজসেবীরা মনে করেন, প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রশিদুল হাসানের মতো সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষ যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তাহলে অসংখ্য অসহায় মানুষের জীবনেও স্বস্তি ও আশার আলো ফিরে আসবে। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এমন উদ্যোগ সমাজকে আরও সুন্দর ও সহমর্মিতাপূর্ণ করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।