1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ নোবিপ্রবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন ঈদে বাড়ি ফেরা হয়নি যাদের, নিটার প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা উৎসবের দিনেও যারা অতন্দ্র প্রহরী: বুটেক্স কর্মীদের সাথে উপাচার্যের ঈদ আনন্দ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি, মনপুরায় ৭০ অসচ্ছল পরিবারের পাশে ‘স্বপ্ন বুনি ফাউন্ডেশন’ প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষা: মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? জুলাই কালচারাল সেন্টার, বুটেক্সের উদ্যোগে পথশিশুদের ‘মেহেদি উৎসব’ তারুণ্যের চোখে ঈদ: ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও মিলনের বহুরঙা অনুভূতি

নোবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ  রোববার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এসময় আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী।

শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, একটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলো বুদ্ধিজীবীরা। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন একটি জাতির আর হারনোর কিছুই থাকেনা। একটি জাতি বুদ্ধিজীবীদের মেধা, বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা কিংবা গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে ১৪ ডিসেম্বর হারিয়েছি। আমি তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। জাতির এ শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতাম। ২৪’এর জুলাই বিপ্লব পরবর্তীতে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মাধ্যমে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান মেধাবীদেরকে লালন করি, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমাদের আরেকটি প্রজন্ম তৈরি হবে। যারা তাদের মেধা এবং জ্ঞানের মাধ্যমে জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। আসুন আমরা সেই বুদ্ধিবৃত্তিক এবং মেধাবৃত্তিক নেতৃত্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে চাই। সেজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়।

প্রসঙ্গত, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২.০১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এর নেতৃত্বে ব্ল্যাক আউট ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...