1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ নোবিপ্রবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন ঈদে বাড়ি ফেরা হয়নি যাদের, নিটার প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা উৎসবের দিনেও যারা অতন্দ্র প্রহরী: বুটেক্স কর্মীদের সাথে উপাচার্যের ঈদ আনন্দ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি, মনপুরায় ৭০ অসচ্ছল পরিবারের পাশে ‘স্বপ্ন বুনি ফাউন্ডেশন’ প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষা: মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? জুলাই কালচারাল সেন্টার, বুটেক্সের উদ্যোগে পথশিশুদের ‘মেহেদি উৎসব’ তারুণ্যের চোখে ঈদ: ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও মিলনের বহুরঙা অনুভূতি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হলো ‘ত্রিশাল মুক্ত দিবস’

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোছাঃ মাহমুদা আক্তার নাঈমা
জাককানইবি প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়) যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় ‘ত্রিশাল মুক্ত দিবস’ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পতাকা উত্তোলনের পর বিজয় র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চির উন্নত মম শির–এ গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে চির উন্নত মম শির–এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “যেসব মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ত্রিশালের মানুষ যে অনুভূতি নিয়ে এই দিনকে দেখেছিল, আজ আমরা তা না পেলেও চেতনা আমাদের ভেতরে আছে। ডিসেম্বর মাস থেকেই আমরা আমাদের শক্তি ফিরে পেতে শুরু করি। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সূচনা করে।”
তিনি আরও বলেন, “ত্রিশাল মুক্ত দিবস ও বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে আমরা যেন প্রকৃত বাংলাদেশি হিসেবে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারি—এ কামনা করি।”

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির সদস্য–সচিব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...