1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা: মাহদী আমিন বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী উচ্চশিক্ষার সংকট নিরসনে অংশীজন সংলাপ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছে ইউজিসি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল ২০ জুন, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী: উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন নোবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ৬ দফা দাবিতে জবি ক্যাম্পাসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কর্মসূচি জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিচ্ছে সরকার

নোবিপ্রবিতে কর্মকর্তার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে ছাত্রীদের মানববন্ধন

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) হাউজিং অ্যান্ড এস্টেট শাখার কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের কর্তৃক ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে নোবিপ্রবির ছাত্রীবৃন্দ। মানববন্ধন শেষে তারা উক্ত কর্মকর্তার বহিষ্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।

আজ ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দুপুর ০১.০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ , নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের ছাত্রীসংস্থা নিয়ে একটি পোস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আব্দুল কাদের রহমান কর্তৃক নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে “আর নয় গুপ্ত ও পরকীয়া। এবার স্বামী হিসাবে স্বীকৃতি” মানহানিকর, কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন।

তারা জানান, মোহাম্মদ রহমান কেবল নোবিপ্রবির ছাত্রীদের ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তাবোধকে হেয় করেনি, বরং নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি সামষ্টিকভাবে ঘৃণাপূর্ণ ও অশালীন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছে। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে এ ধরনের নিন্দনীয় বক্তব্য কেবল অনভিপ্রেতই নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা, পেশাগত আচরণবিধি ও নারী-পুরুষ সমতার সাংবিধানিক মূল্যবোধেরও পরিপন্থী।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থী তানজিনা আক্তার রিমি বলেন, ছাত্রীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ, অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়; বরং এটি সরাসরি হয়রানি, চরিত্রহনন ও মানসিক নির্যাতনের শামিল। ভিন্ন আদর্শ, মত বা চিন্তার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ এই আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার পথে বড়ো বাধা। আমরা উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে অন্য আরেক শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান বলেন,” এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ কে সামনে রেখে নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটা জায়গায় আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে হেনস্তা করা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা শাখা কর্মকর্তা নিয়ম ভঙ্গ করে এখন কর্মরত আছে কিন্তু আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কোনো রকম ব্যবস্তা নিতে দেখিনি।তাই আজকের মানববন্ধন থেকে প্রশাসনকে আহ্বান জানায় অনতিবিলম্বে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মানববন্ধনে ছাত্রীরা উক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রহমানকে প্রকাশ্যে তাঁর মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাটির বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নারী শিক্ষার্থীদের সম্মানহানি ও নৈতিক হয়রানির দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত শাস্তি হিসাবে অবিলম্বে উক্ত কর্মকর্তাকে বহিস্কারের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীরা তাদের স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবো।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...