1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাবি ছাত্রী নাট্যকর্মী মিমোর মরদেহ উদ্ধার: শিক্ষককে নিয়ে লেখা আছে চিরকুট! সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্তির অপেক্ষায় নোবিপ্রবির হাজার কোটি টাকার প্রকল্প জাকসুর উদ্যোগে গবেষণা ও একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়নে সেমিনার লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ‘আইডিয়াস টু ইমপ্যাক্ট’ রিসার্চ সেমিনার অনুষ্ঠিত যবিপ্রবির ডাইনিংয়ের খাবার খেয়ে শতাধিক নারী শিক্ষার্থী অসুস্থ, তৃতীয় দিনে ৬০ জনের অধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি মাভাবিপ্রবিতে ধামরাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটির নেতৃত্বে কাশেম-বৃষ্টি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ এপ্রিল থেকে ৪ দিনব্যাপী নাট্য উৎসব যবিপ্রবি সিএসই ক্লাবের নেতৃত্বে শিহাব-মোস্তাফিজ ন্যাশনাল সায়েন্স এক্লিপ্স ২০২৬: তরুণদের উদ্ভাবন ও অনুসন্ধিৎসার এক অনন্য মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে “জলবায়ু বিপর্যয়ে সৃষ্ট অভিঘাত প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান” সেমিনার আয়োজিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে “জলবায়ু বিপর্যয়ে সৃষ্ট অভিঘাত প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান” সেমিনার আয়োজিত

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

জাকারিয়া মোহাম্মদ ইমন, আইডাব্লিউবি প্রতিনিধি :

জলবায়ু বিপর্যয়ে সৃষ্ট অভিঘাত মোকাবিলায় ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে আজ ২২ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ১১:০০টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও জলবায়ু ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে তরুণদের ভূমিকা” শিরোনামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পরিচালক, ডক্টর মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান খান। সভাপতিত্ব করেন জনাব গাউস পিয়ারী, পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।

ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ এর প্রকল্প কর্মকর্তা মোছা. শাপলা খাতুন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মুহতাসিম সরকার ফারাবীর সঞ্চলনায় সেমিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু বিপর্যয়ের নেতিবাচক প্রভাবে বাংলাদেশ আজ নানামুখী সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হলে আমাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও জলবায়ু ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। আর এ কাজে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। কারণ আমাদের দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ তরুণসমাজ।

সেমিনারে দুটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে জনাব জাকারিয়া মোহাম্মদ ইমন, সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ এবং নুসরাত আহমেদ, শিক্ষার্থী, ডিপার্টমেন্ট অফ উমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু বিপর্যয় প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচার কিভাবে নিশ্চিত করা যায়, পাশাপাশি তরুণরা এক্ষেত্রে কিভাবে অবদান রাখতে পারে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পরিচালক জনাব ডক্টর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান বলেন, জলবায়ু বিপর্যয় প্রতিরোধে আমাদেরকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে, এক্ষেত্রে তরুণসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে এসডিজির যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কোনভাবেই অর্জন করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশের জলবায়ু নিয়ে আমাদেরকেই ভাবতে হবে। কোন উন্নত দেশ এর দায়ভার নিবে না।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট এর প্রভাষক রাইসা ইমরান চৌধুরী তার আলোচনায় বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদেরকে ব্যক্তি পর্যায় থেকে কাজ শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের ছোট ছোট অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করা, যেমন- একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিক পরিহার করা, উন্নত বিশ্বের ন্যায় আমরাও বাইসাইকেল ব্যবহারকে প্রাধান্য দিতে পারি। যদি আমরা এভাবে জীবনাচরণ পরিবর্তন করতে পারি তাহলে জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

তাসনিম চৌধুরী ফাহিম, প্রভাষক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট বলেন, জলবায়ু দূর্যোগের কারণে কারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছে তাদের কথা আমাদের ভাবতে হবে। মানুষ হিসেবে জলবায়ু সুবিচার পাওয়ার সবারই অধিকার রয়েছে। তাই যে কাজগুলো করার কারণে আমাদের জলবায়ু নষ্ট হচ্ছে সেগুলো বর্জন করে আমরা আমাদের জলবায়ু রক্ষা করতে পারি। বর্তমানে আমরা যে পর্যায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় আছি সে হিসেবে আমাদের হাতে আছে খুব কম সময়, কারণ আগামী ২০৩০ সালেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের শেষ সময়। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সকলকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে, বিশেষ করে তরুণসমাজকে।

ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক, সভাপতির বক্তব্যে জনাব গাউস পিয়ারী বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ শুরু থেকেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কাজ করছে, যা আজকের উপস্থাপনায় তুলে ধরেছে জাকারিয়া। আমরা বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে বাংলাদেশকে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ করা সম্ভব। এছাড়াও আইডাব্লিউবি জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে হাঁটা, সাইক্লিং ও অ-যান্ত্রিক যানবাহন ব্যবহারকে উৎসাহিত করে শুন্য কার্বন ধারণা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। যা আমাদের পরিবেশ থেকে শুরু করে সবকিছুর স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...