1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরে বাংলার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক বৃত্তি-ফেলোশিপে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সরকারের নানামুখী উদ্যোগ হিট প্রকল্প দেশের উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ পিএইচডি গবেষকের গবেষণাপত্র উপস্থাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সঙ্গে ফরাসি সমুদ্রবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাবি ছাত্রী নাট্যকর্মী মিমোর মরদেহ উদ্ধার: শিক্ষককে নিয়ে লেখা আছে চিরকুট! সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্তির অপেক্ষায় নোবিপ্রবির হাজার কোটি টাকার প্রকল্প জাকসুর উদ্যোগে গবেষণা ও একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়নে সেমিনার লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ‘আইডিয়াস টু ইমপ্যাক্ট’ রিসার্চ সেমিনার অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তমঞ্চ’ মতপ্রকাশ ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬

খুবি প্রতিনিধি

মো: ফাহাদ হোসেন সাজিদ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেই যে স্থানটি শিক্ষার্থীদের চিন্তা, চেতনা ও কণ্ঠস্বরের প্রতীক হিসেবে চোখে পড়ে, সেটি হলো ‘মুক্তমঞ্চ’। এই মুক্তমঞ্চ শুধু একটি স্থাপনা নয়। এটি খুবির শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা, মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের এক জীবন্ত মঞ্চ।বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের সন্নিকটে অবস্থিত মুক্তমঞ্চ প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের আড্ডা, আলোচনা ও সাংগঠনিক তৎপরতায় মুখর থাকে। ক্যাম্পাসজুড়ে কোনো সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি হলে তার প্রথম প্রতিধ্বনি শোনা যায় এই মুক্তমঞ্চ থেকেই। ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রাম র‌্যাগ কনসার্ট টি অনুষ্ঠিত হয় এই স্থানটিতে।বিশেষ করে বিভিন্ন জাতীয় দিবস, আন্তর্জাতিক দিবস কিংবা শিক্ষার্থীদের অধিকার সংশ্লিষ্ট আন্দোলনে মুক্তমঞ্চের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস, বিজয় দিবসসহ নানা ঐতিহাসিক দিনে এখানে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া তুলে ধরার ক্ষেত্র হিসেবেও মুক্তমঞ্চ দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। জুলাই পরবর্তী শিক্ষার্থীদের যে দাবি উত্থাপন হয়েছিল সেটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, “মুক্তমঞ্চ আমাদের কণ্ঠস্বরের জায়গা। এখানে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের কথা বলতে পারি, মত প্রকাশ করতে পারি। যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দাবি বা প্রতিবাদে প্রথমেই মনে পড়ে এই স্থানটির কথা।”গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী রিয়াজুস সলেহীন মাহিন বলেন, “এই মুক্তমঞ্চটি আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চার প্রাণ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সচেতনতামূলক আয়োজন মুক্তমঞ্চ সবসময় শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে। ক্লাসের বাইরে এখানেই আমরা নিজেদের গড়ে তুলি।”তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তমঞ্চের অবকাঠামোগত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। অনেকের দাবি, নিয়মিত পরিচর্যা ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা হলে মুক্তমঞ্চ আরও কার্যকর ও নান্দনিক হয়ে উঠতে পারে।সব মিলিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ আজ শুধু একটি খোলা মঞ্চ নয়; এটি খুবির শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, প্রতিবাদ, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মুক্তমঞ্চই ধারণ করে রাখছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণস্পন্দন।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...