1. admin@thecampusinsight.com : Campus :
  2. news@thecampusinsight.com : news :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরে বাংলার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক বৃত্তি-ফেলোশিপে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সরকারের নানামুখী উদ্যোগ হিট প্রকল্প দেশের উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ পিএইচডি গবেষকের গবেষণাপত্র উপস্থাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সঙ্গে ফরাসি সমুদ্রবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাবি ছাত্রী নাট্যকর্মী মিমোর মরদেহ উদ্ধার: শিক্ষককে নিয়ে লেখা আছে চিরকুট! সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্তির অপেক্ষায় নোবিপ্রবির হাজার কোটি টাকার প্রকল্প জাকসুর উদ্যোগে গবেষণা ও একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়নে সেমিনার লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ‘আইডিয়াস টু ইমপ্যাক্ট’ রিসার্চ সেমিনার অনুষ্ঠিত

“বাধ্য হয়েই জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী শিক্ষকরা অন্য দলের আশ্রয় নিয়েছে” দাবি নোবিপ্রবি সাদা দল সভাপতির

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন একটি কার্যকর ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্মের অভাবে বাধ্য হয়েই অন্য দলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নোবিপ্রবি বর্ধিত সাদা দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মু. শফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বর্ধিত সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, সাংগঠনিক অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকগণ। এর আগে একই দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

বর্ধিত সাদা দলে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সদস্য উপস্থিতির অভিযোগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বর্ধিত সাদা দলের সভাপতি ও ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, একটা সময় ফ্যাসিস্ট আমলে তারা এরকম ভাবে নিয়োগ দিতো যে যারা নিরপেক্ষ ছাত্র-ছাত্রী বা মেধাবী তাদের নিয়োগ পাওয়ার কোন সুযোগ ছিলো না। তোমরা তো নিজেরাই ছিলে, এখানে নিরপেক্ষ কোন লোকের চাকরি পাওয়ার সুযোগ ছিলো না। ফলে প্রভাষক যারা নিয়োগ পেতো প্রশাসন তাদের এত চাপে রাখতো যে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এত রূদ্ধ করে ছিলো যে তাদেরকে কোন না কোন একটা দিকে আশ্রয় নিতে হতো, অনেকটা জিম্মির মতো। কিন্তু তারা মনে-প্রাণে, মতে সবকিছুতে জাতীয়তাবাদী আদর্শ লালন করতো।

তিনি আরও বলেন, তাদের চাকরি পাওয়ার জন্য শিক্ষাজীবন শেষে তাদেরকে কোন না কোন কিছুর সাথে, যেহেতু সিনিয়র শিক্ষক যারা ছিলো তাদের মতের বাহিরে যাওয়া যাচ্ছিলো না ফলে তাদেরকে এটাচ হতে হয়েছে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি আমরা যে সংগঠন গঠন করেছি, এখানে যারা মনে-প্রাণে জাতীয়তাবাদী আদর্শ লালন করে কিন্তু পরিবেশের অভাবে প্রকাশ করতে পারে নাই, ঐ সমস্ত লোক আমাদের সাথে এসেছে বলে আমরা মনে করি।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের পর আমরা যেরকম বিশ্ববিদ্যালয় চেয়েছিলাম আমরা সেটা পায়নি, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে এখানে বৈষম্য রয়ে গিয়েছে। জাতীয়তাবাদী আদর্শকে বর্ধিত করার জন্য আমরা ডাক দিয়েছি, যারা এসেছে সবাইকে নিয়ে আমরা একটা ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকবান্ধব ও গবেষণাবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

শেয়ার করুন...

অন্যান্য...